ভ্যাকসিন দ্রুত সংগ্রহের তাগিদ অর্থমন্ত্রীর

করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন দ্রুত পাওয়ার জন্য যে সোর্সের (দেশ বা প্রতিষ্ঠান) মাধ্যমে যোগাযোগ করলে পাওয়া যাবে তাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। আমরা যদি সরাসরি অক্সফোর্ডের সাথে যোগাযোগ করতে নাও পারি তাহলে ভারতের সঙ্গে যৌথভাবে যোগাযোগ করতে হবে। টিকা কেনা বা দ্রুত পাওয়ার জন্য বাজেটে টাকাও বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

Loading...

এ জন্য প্রয়োজনীয় আগাম টাকা দিতেও প্রস্তুত আছে অর্থ মন্ত্রণালয়। সুতরাং এক সোর্সের উপর নির্ভর না করে একাধিক সোর্সের সঙ্গে যোগাযোগ করতে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের সঙ্গে কথা বলেছি। একই সঙ্গে রাশিয়ার টিকার পাওয়ার জন্য সে দেশের সোর্সের সাথে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। গতকাল সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক শেষে ভার্চুয়াল ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নে জবাবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, করোনাভাইরাসের টিকা আমরা কিভাবে সংগ্রহ করবো এ জন্য স্বাস্থ্যমন্ত্রী খুব শিগগিরই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন। তবে কিভাবে টিকা সংগ্রহ করা হবে তার চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনো আমরা পাইনি। তাই আমার পক্ষে এ বিষয়ে চ‚ড়ান্তভাবে কোনো কিছু বলা সম্ভব নয়। আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, তবে আমি ব্যক্তিগতভাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বলেছি টিকা সংগ্রহের জন্য একটি সোর্সের উপর নির্ভর করলে এটা পাওয়া কঠিন হবে। সেজন্য যদি একাধিক সোর্স থেকে এ ভ্যাকসিন আমরা সংগ্রহ করতে পারি..।

এরই মধ্যে দেখেছি যেসব দেশ ভ্যাকসিন তৈরি করবে তাদের সাথে অনেক দেশ চুক্তিবদ্ধ হয়েছে, অগ্রিম টাকাও দিয়েছে। আমি স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে বললাম আমাদেরও এ ধরনের ব্যবস্থায় যেতে হবে। আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, টিকার সরবরাহের জন্য অক্সফোর্ড ইতোমধ্যে বিভিন্ন দেশের যোগাযোগ করেছে। আমরা যদি সরাসরি অক্সফোর্ডের সাথে সম্পৃক্ত হতে নাও পারি, তাহলে অন্তোত ভারত সরকারের সাথে আমরা সম্পৃক্ত হতে পারি। মোট কথা হচ্ছে আমাদের পিছিয়ে থাকলে হবে না। সকল সোর্সের মাধ্যমে এগিয়ে যেতে হবে।

Loading...

যেখান থেকে আমার টিকা পাবো সেখানে থেকে নিতে হবে। অর্থমন্ত্রী বলেন, রাশিয়া ইতোমধ্যে তাদের টিকা প্রয়োগ করেছে। তাই আমার মনে হয় রাশিয়ার টিকা দ্রুত বাজারে আসবে। রাশিয়া থেকে টিকা পাওয়ার জন্য তাদের সোর্সের সাথেও আমাদের যোগাযোগ করতে হবে। যারাই টিকা তৈরি করে তাদের সাথেই আমাদের যোগাযোগ করতে হবে। টিকা কেনার জন্য বাজেটে কিছু অর্থও বরাদ্দ রাখা হয়েছে। যাতে করে ভ্যাকসিন কেনা বা আগে পাওয়ার জন্য আমরা জরুরি প্রয়োজনে অর্থায়ন করতে পারি।

Loading...

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*