ক্রীড়াঙ্গনে হাহাকার করোনার সাথে পাঞ্জা লড়ছেন বিশ্বসেরা লীগের তারকা

টানা তিনদিন ডায়রিয়ায় ভুগে পরীক্ষা করতে গিয়েছিলেন হাসপাতালে। প্রথমবার টেস্ট করার পরে ফলাফল ছিল করোনা নেগেটিভ। হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় ফেরার প্রস্তুতি নেয়ার সময় শুরু হয় ফুসফুসের সমস্যা। তখন আবার পরীক্ষা করা হলে ধরা পড়ে কোভিড-১৯ পজিটিভ ফ্রান্সের ২৩ বছর বয়সী মিডফিল্ডার জুনিয়র সাম্বিয়া।

Loading...

ফ্রেঞ্চ লিগের দল মপলিয়ের হয়ে খেলেন সাম্বিয়া। নিজ দলের সবশেষ ম্যাচেও মাঠে ছিলেন তিনি। লকডাউনের মধ্যেই শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটলে, হাসপাতালে গিয়ে পরীক্ষার মাধ্যমে করোনা নিশ্চিত হয় তার। সতর্কতাস্বরুপ আর্টিফিশিয়াল কোমাতেও রাখা হয়েছিল সাম্বিয়াকে।

ফ্রান্সের সর্বোচ্চ পর্যায়ের লিগে খেলা ফুটবলারদের মধ্যে তিনিই প্রথম করোনা আক্রা’ন্ত হলেন। তার বর্তমান অবস্থা ইতিবাচক বলে জানিয়েছেন সাম্বিয়ার এজেন্ট ফ্রেডরিখ গুররেয়া। ধারণা করা হচ্ছে, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কিনতে সুপার মার্কেটে যাওয়ার কারণে করোনা আক্রা’ন্ত হয়েছেন সাম্বিয়া।

গত সপ্তাহের শুরু থেকেই অসুস্থ্য ছিলেন তিনি। মঙ্গলবার ভর্তি হন হাসপাতালে, যেখানে তাকে আর্টিফিশিয়াল কোমায় রাখা হয়েছিল। তবে শুক্রবার পর্যন্ত তার অবস্থা ভালোর দিকে বলেই জানিয়েছেন এজেন্ট ফ্রেডরিখ।

Loading...

তিনি বলেন, ‘শুক্রবারের আপডেট হলো সে ভালো আছে। অবস্থার যেমন অবনতি ঘটেনি, তেমনি বিশেষ উন্নতিও ঘটেনি। কীভাবে আক্রা’ন্ত হলো বলা মুশকিল। কারণ লকডাউন ভালোভাবেই মানছিল সে। তবে হয়তো মার্কেটে গিয়ে ভাইরাস শরীরে নিয়ে এসেছে সে।’

কীভাবে কী হলো জানিয়ে ফ্রেডরিখ আরও বলেন, ‘তিনদিন ধরে ডায়রিয়ায় ভুগছিল সে। মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালে যায়। আমিও সেখানে তার সঙ্গে দেখা করি। তখন তার হাতে কোভিড-১৯ পরীক্ষার রেজাল্ট ছিল। সেখানে করোনা নেগেটিভ ছিল।’

‘বুধবার তার হাসপাতাল ছাড়ার কথা ছিল। কিন্তু তখন ফুসফুসের সমস্যা দেখা দেয়। অবস্থা খারাপের দিকে গেলে দুইবার হাসপাতাল বদলে তাকে আর্টিফিশিয়াল কোমায় রাখা হয়েছিল। সেখানেই পরীক্ষা করা হলে করোনা ধরা পড়ে তার।’

বৃহস্পতিবার এক বিবৃতির মাধ্যমে মপলিয়ের জানিয়েছিল, তাদের এক খেলোয়াড় অসুস্থতাজনিত কারণে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। তবে তারা সেই খেলোয়াড়ের নাম প্রকাশ করেনি, এমনকি কোভিড-১৯ আক্রান্ত হওয়ার কথাও জানায়নি।

সূত্র- জাগোনিউজ

Loading...

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*